Wednesday, September 30, 2020

 " মায়াবীনি কন্যা "

" মায়াবীনি কন্যা "

 " মায়াবীনি কন্যা "

শিশির রায়।
________//তাংঃ-১২/০৬/২০ইং।
___________________________


অচিন পুরের মায়াবীনি কন্যা,
তোমার কাজল কালো আঁখি।
তোমায় একটু দেখার তরে,
জানালায় দেই যে উঁকি।

বসন্তের মৃদু বাতাসে যখন,
এলোমেলো হয় তব কেশ।
এলোচুলে মুখটি তোমার,
লাগেজে বড়ই বেশ।

কপালের লাল টিপটি তোমার,
যেন পূর্ণিমার চাঁদ!
এত দেখছি তবুও কেন মোর,
মিটেনা দেখার স্বাদ।

আমায় দেখলে মুখ ঘুড়িয়ে,
মুচকি কেন হাসো।
তবে কি আমি ধরেই নিবো,
তুমিও আমায় ভালবাসো।

*****

Tuesday, September 15, 2020

 বাস্তব জিবনের_গল্প পর্বঃ- ০৩

বাস্তব জিবনের_গল্প পর্বঃ- ০৩

 বাস্তব জিবনের_গল্প

পর্বঃ ০৩
লেখাঃ অর্নব





সবাই সব কিছু জানার পরে সিদ্ধান্ত নিলো ভাবীর পরিবার, আমার শ্বশুর বাড়ির পরিবার সবাই এক জায়গায় বসবে.. সবাই কে ডাকলো সবাই বসলো তাতে সিদ্ধান্ত হলো, আমি যতোদিন বাপের বাড়িতে থাকবো ততোদিন ভাবি তার বাপের বাড়িতে থাকবে।।
ভাবিকে তার মা বাবা নিয়ে গেলো, এবং আমার কাছে ক্ষমা চাইলো।। আর একটা কথা, ভাইয়া সবার সামনে বার বার বলছিলো সে ভাবিকে ডিভোর্স দিবে। যতোটাকা কাবিন ছিলো তাই দিয়ে...
কিন্তু তার মা বাবা হাতে পায়ে ধরে আরেকটা সুযোগ চাচ্ছিলো!!
__বর ও আমার কাছে অনেক কান্নাকাটি করে, পায়ে ধরে ক্ষমা চাইলো। জিবনে আর কোনো দিন এমন হবে না....
_
_
__আগের মতো সব ঠিক হলেও মন থেকে কোনো কিছুই মেনে নিতে পারছিলাম না!! তারপরেও কিছু করার ছিলো না, যেহেতু আমি গ্রামের মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে আরো বাবা নেই।
_আমাদের পজিশনের মেয়েদের অনেক কিছু মেনে নিয়ে বেচে থাকতে হয়!! আমাদের পরিবার থেকে, পারিপার্শ্বিক পরিবেশ থেকে শিখানো হয় ছেলেরা অনেক কিছু করতে পারে। তারা ইচ্ছা করলেই বউ বাচ্চা রেখে, অন্য মেয়েদের সাথে ফিজিক্যাল রিলেশনে যেতে পারে....
আর এই সব কিছু মেনে নিয়েই আমাদের মতো পরিবারের মেয়েদের সংসার নামক জেলখানায় বন্ধি হয়ে থাকতে হয়!! হ্যা এটাই নিয়ম,, আমিও তার ব্যাতিক্রম নয়... তাই আমাকেও তার সব কিছু মেনে নিয়ে সংসার করতে হয়েছিলো!!
__অনেক বাধাবিপত্তি পেরিয়ে আমার প্রেগন্যান্সি টাইম নয় মাসে পা দিলো, হঠাৎ একদিন প্রচুর হাত পা ফুলে গেলো। আর আমি খুব মোটা হয়ে গেছিলাম, ২৩/২৫কেজি ওয়েট বেরে গিয়েছিলো!!.
.
.
_নয় মাস ১৮দিনের দিন, হাত পা মুখ ফুলে ডাবল হয়ে যায়!! প্রেশার বেড়ে, শ্বাসকষ্ট শুরু হয়, তখন সবাই মিলে হসপিটালে নেয়। ডঃ সব চেকাব করে, সিজারের কথা বলে,, অতিরিক্ত প্রেশার বাড়ায় সিজার করতেও পারছিলো না...
-------- দুইদিন হসপিটালে থাকার পরে, অবশেষে তিনদিনের দিন আমার সিজার হয়!! সেদিন ছিলো আমার লাইফের সব থেকে খুশির দিন!! শুক্রবার ছিলো সেদিন,তাই ভাবছিলাম তখন হাসবেন্ড পাশেই থাকবে কিন্তু সারাদিনে তাকে দেখতে পাইনি!!
-- সিজার হয় বিকেল ৩টার দিকে, রাতে আমাকে বেডে দেওয়া হয়। কন্যা সন্তানের মা হলাম!! মেয়ের মুখ দেখে সব কস্ট ভুলে যাই, ভুলে যাই এতো মাস ধরে এতো কস্ট করেছি সেই দিনগুলো...
.
মনে হচ্ছে সুখের দিন ধরা দিয়েছে!!
.
_হসপিটালে আসার পরে প্রথম দিন বর ছিলো, তারপর আর তার মুখ দেখার সৌভাগ্য হয়নি... তার বাড়ির সবাই ছিলো, শুধু তার অভাব টা থেকে গেছিলো বুকের এক পাশে!!
_মা বাবা হওয়া যে এতো সহজ নয়, সেটা তাকে বুজানোর জন্য আমি আগে থেকেই বলেছি আমার ডেলিভারি টাইমে আমি সব সময় তাকে পাশে চাই। সেও কথা দিয়েছিলো পাশে থাকবে, বাট সে তার কথা রাখতে পারেনি...
অনেক রাত হয়ে যায়, দরজা খোলার আওয়াজ পেলেই আমি ঘুরে তাকাই। এই বুজি সে আসলো,, এই বুজি আমার মেয়েকে এসে কোলে নিয়ে আদর করলো!!
.......না আমার ধারণা শুধু ভুল!!
রাত প্রায় ১২টা (সঠিক না, কারন তখন ফোন ছিলো না আমার কাছে টাইম দেখার জন্য) মায়ের ফোনে কল আসলো....
__বড় ভাইয়া ফোন দিয়েছে, মা কথা বলতে বলতে বাহিরে যায়। আর রুমে আসেনা,,,, মা কে ডাকার জন্য শ্বাশুড়ি যায়, সেও আর আসেনা!!
কি আজব!! যে যায়, সে একেবারে যায় ফিরে না।।।।
__প্রায় ৩০মিনিট পরে তারা আসে,,, দুজনের চোখেই পানি!!
মহিলা মানুষ তো, কিছু একটা লুকোতে চাচ্ছে কিন্তু লুকাতে পারছে না!!
মা বলে তোর ভাইয়া রওয়ানা দিছে, সকালের ভিতরেই চলে আসবে!!
__সকাল বেলা ভাইয়া আসে, ছোট ভাই আসে.. মেয়েকে খুব আদর করে, মেয়েকে কোলে নিয়ে বড় ভাই কেদে দেয়!! জোড়ে জোড়ে কাদছে আর বলতেছে, আমার ছোট মা এটা,,, আমি বেচে থাকতে আমার ছোট মা কে কোনো দিন কস্ট পেতে দিবো না। আমার হাত ধরে বলে তোকে সুখ দিতে পারিনি, তার জন্য আমাকে ক্ষমা করিস!! মাফ করিস বোন!!
__ভাইয়ের কান্না দেখে সবাই কাদে, আমিও কাদি... বার বার বলি কি হইছে ভাইয়া আমাকে বলেন। আপনি আমাদের জন্য যা করেছেন তা কোনো ভাই করতে পারবে না,,,,
এভাবে সারাদিন যায়, আমি শুধু একজনকে খুজি। তার জন্য ছটফট করি, তবুও তাকে দেখতে পাচ্ছিনা!! তখন মা কে বলি মা আপনার জামাই আসলো না কেনো? তাকে ফোন দিয়ে আসতে বলেন....
_শ্বাশুড়ি বলে মেয়ে হইছে সে জন্য মনে হয় রাগ করেছে, বাসায় গেলে মেয়ের মুখ দেখলে দেখবা সব ঠিক হয়ে যাবে। আমি বলি আমার মেয়ে হবে তা তো আগেও জানতো, তখন তো খুশি ছিলো...
__আমার ভাই চিৎকার করে উঠে, বলে আর একবার তুই ওই জানোয়ারের নাম মুখে নিবি না!! তোকে আর জানোয়ারের কাছে দিবো না,,,,,
শ্বাশুড়ি কে বলে, আপনি চলে যান!! আপনার বাড়ি থেকে যেনো আর কেউ না আসে... আমার বোন আর আপনাদের বাড়ি যাবে না।। কোনো সম্পর্ক নাই আর, আপনাদের সাথে!!
------- আমি অবাক হয়ে যাই,কি আশ্চর্য!! ভাইয়া হঠাৎ রিয়েক্ট কেনো করতেছে? ভাইয়া তো এমন ব্যবহার কারো সাথে করে না, এখন কেনো এমন করতেছে!!
__অবশেষে দুইদিন পরে আমি আমার মেয়ের বাবার খবর পাই!!
আমার ডেলিভারির দিন থেকে আমার বর, আর ভাবিকে খুজে পাচ্ছেনা!! তার মানে সবাই বুজতে পারছেন??
__হ্যা আমাকে মৃত্যুর পথে ঠেলে দিয়ে, তারা নতুন জীবনের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছেন...!!! একটা বার চিন্তা করেনি বাচ্চাটার কথা? একটা বার মেয়েটার মুখ দেখে যেতে পারতো!! মুখটা দেখলে ঠিক যেতে পারতো না.. মেয়েটা তো ওর ই রক্তের!! ঠিক কোথাও একটা টান পড়তো!!
আমি পাগলের মতো হয়ে যাই, মাত্র দুইদিন হলো এতো বড় অপারেশন থেকে উঠলাম তার আগেই এতো বড় পেইন কিভাবে মেনে নিবো??
__এতো নাম ডাক, পরিবার, সন্মান, কারো কথা ভাবলো না!! শুনেছি মানুষ যখন পাপ করে, তখন তার হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে যায়। তার বেলাতেও তাই হয়েছে?? আর দশ জনের মতো তো তার জিবন নয়, সে একজন স্কুল শিক্ষক... এখন শিক্ষক মানে আর দশটা জিবন গড়ার কারিগরি সে।। আর দশটা ছেলে মেয়ের আইডল সে,, বাট সে এ ভাবে এইসব করবে এটা ছিলো আমার কল্পনার বাহিরে....
_এইসব সব কিছু ভাবতে ভাবতে, আবার প্রেশার বেড়ে যায়। অসুস্থ হয়ে যাই, অক্সিজেন দেয় আমাকে!!!
চলবে.....

Monday, September 7, 2020

" নীল আকাশ "

" নীল আকাশ "

" নীল আকাশ "

✍
শিশির রায়।
তাং_____/১৯/০৬/২০ইং।
___________________________


নীল আকাশ আর তোমার মাঝে,
দারুণ মিল খুঁজে পাই।
তাইতো আকাশ দেখার নামে,
আমি তোমায় দেখে যাই।
তোমার আকাশের মেঘ কাটাতে,
বৃষ্টি হয়ে ঝড়বো।
দু'হাত মেলে ছুঁইবে যখন,
তোমায় আদর করবো।
কোথায় যে আছে তার সীমান্ত,
জানে না ঐ আকাশ।
উড়ন্ত পাখির দুরন্ত মনে লাগে,
মিষ্টি হিমেল বাতাস।
ঐ নীল আকাশে পাখি হয়ে,
করবো স্বপ্ন পূরণ।
ডানা ঝাপটায় নীড় হারিয়ে,
হলো মন পাখিটার মরণ।

Saturday, September 5, 2020

 কবিতা _-- " বাবা "

কবিতা _-- " বাবা "

 কবিতা _-- " বাবা "

কলমেঃ-শিশির রায়
_____//তাংঃ-১৭/০৬/২০ইং।


আমার বাবা সেরা বাবা,
এই পৃথিবীর মাঝে।
শৈশবকালে ঘুরেছি আমি,
উঠে বাবার কাঁধে।

অপেক্ষায় চেয়ে থাকতাম,
ঐ দুরের রাস্তা পানে।
হাট থেকে এসে বাবা প্রথম,
আমায় বুকে নিতো টেনে।

যখন আমি প্রথম স্কুলে যাই,
বয়স আমার ছয়-সাত।
হাটতে গিয়ে হোঁচট খেলে,
ধরতাম বাবার হাত।

বাবা সদাই ব্যস্ত ছিলেন,
সংসারের নানান কাজে।
বাবার সুখটা ছিলো সর্বদা,
আমাদের হাসির মাঝে।

বাবা হলো জীবনের মূল,
বাবা বটবৃক্ষের ছায়া।
বাবার জন্য সব সন্তানের,
থাকে যেনো মায়া।

বাবা হলো আত্মার অস্তিত্ব,
সন্তানের দেহের ভিতর।
বেঁচে থাকুক সকল বাবা,
হাজার হাজার বছর।

❤❤আজ বাবা দিবসে আমার বাবার পাশাপাশি বিশ্বের সকল বাবার প্রতি রইল আমার গভীর শ্রদ্ধা, প্রণাম ও ভালোবাসা। ❤❤

Tuesday, September 1, 2020

 "কইতরির মা"

"কইতরির মা"

 "কইতরির মা"

লেখক: মোঃ আসিফ আহম্মেদ

তারিখ: 27/10/2020
ছবি: সংগৃহীত

কইতরির মা সুনছনি খবর
চোখ কান কি রাহো খোলা ।
তোমার মাইয়ারে সাবধানে রাইখো
তুমি তো আবার মন ভোলা ।

দেশটা অহন ভইরা যাইতাছে
মানুষ রুপি ধর্ষক শকুন ।

বাড়ি গাড়ি স্কুল মাদ্রাসায় অহন
ধর্ষণের পরে হচ্ছে গুম খুন ।
তোমার মাইয়ার চলা চলতি
দেখে তো ভালো মনে হয়না ।

সাইজ্জা গুইজ্জা যেইভাবে থাকে
আরো পরে এমেটি স্বর্ণের গয়না ।
সারাদিন দেহি কানে হেডফোন
মোবাইলের কিবোর্ডে করে টাইপিং ।

শাষন কইরো তোমার মাইয়ারে
কার সাথে করে যেনো চ্যাটিং ।
দেশের অবস্থা অনেক খারাপ
সাবধান তুমি অহনি হও ।

মান ইজ্জত থাকতে তোমাদের
অহনি সতর্ক হতে মাইয়ারে কও ।