Saturday, October 31, 2020

 কবিতা " মানবজীবন "

কবিতা " মানবজীবন "

 " মানবজীবন "

শিশির রায়।
তাং_____/১৫/০৭/২০ইং।
_______________________



মানবজীবন দুর্লভ জীবন,
সুখে দুঃখে গাঁথা।
তবুও মোরা সুখের আশায়,
নষ্ট করছি মাথা।
এই দুনিয়ায় দীন আমি,
দুঃখে জীবন গড়া।
পাইনি খুঁজে ভুবন মাঝে,
সুখ বৃক্ষের গুঁড়া।
টাকা পয়সা সবই আছে,
মনের সুখটা ছাড়া।
জগতের সব পেয়েও আমি,
ভালোবাসা হারা।
সুখ নদীতে ঝাপ দিয়েছি,
কূল-কিনারা না পাই।
সুখের আশায় ব্যথার নদীতে,
ভেসে আমি যাই।
এই দুনিয়ায় সবাই পর,
কেহই আপন নয়।
সুখে দুঃখে বিপদে-আপদে,
ঈশ্বরই আপন রয়।
ফুরিয়েছে সাঁঝের বেলা,
আধার ঘনিয়ে এলো।
প্রাণ পাখিটা আপন নীড়ে,
এবার চলেই গেলো।
~~``~~

Thursday, October 29, 2020

ভালোবাসার আবিষ্কার

ভালোবাসার আবিষ্কার

 ------------ভালোবাসার আবিষ্কার ----------



একটি পথ আবিস্কার করতে চাই
যার গন্থ্যব্য হবে তুমি
আমি সেই নদীর মাঝি হতে চাই
যে নদী পার হবে তুমি

আমি নীল আকাশ হয়ে যেতে চাই
যদি শরৎ হও তুমি
আমি জোয়ারে ভেসে যেতে চাই
যদি বর্ষা হও তুমি

রক্তাক্ত রাজপথে মিছিলে যেতে চাই
যদি রাজনীতি কর তুমি
ষড়যন্ত্রের যত হুঙ্কার গুড়িয়ে দিতে চাই
যদি আদেশ কর তুমি

আমি কখনও ভ্রমর হয়ে যেতে চাই
যদি বাগিচার ফুল হও তুমি
আমি আঁধারে হারিয়ে যেতে চাই
যদি জোঁনাকি হও তুমি

-হ্যালো শুনতে পাচ্ছ?

-হ্যালো শুনতে পাচ্ছ?

-হ্যালো শুনতে পাচ্ছ?

সুলতানা পারভীন সুমি


ছবিঃ আয়ান
-হ্যালো শুনতে পাচ্ছ?
কি হলো কথা বলবে না বুঝি
-- ভাবছি আর অবাক হচ্ছি
আজ হঠাৎ ফোন! কি মনে করে?
স্বামীকে বোধ হয় করোনা তেমন ভয়।

-- কি যে বলো হাসি পায়,
যাক চিনতে পেরেছো।
কেন এমন মনে হলো?
-- এত গুলো বছর পরে আমাকে ফোন করার বিশেষ কোন কারণ দেখিনা।
কিছু বলার থাকলে বলো।

--তোমার দেয়া ধূসর রঙের ছাতাটা না এখনও আছে।
তোমার দেয়া সেই ছোট্ট কালো টিপ গুলোও আছে।
মাঝেমধ্যেই রাতে টিপ পরি।
আয়নায় দেখি।
নিজেকে নয় তোমাকে।

-- কেন বলছো এসব আমাকে ?
আমি ভুলে গেছি তোমাকে।
কেন ফোন করেছো বলবে তো, নাকি?

--- তোমার মাঝে মাঝে কষ্ট হয়?
তোমার কি কান্না পায়?
--- নাহ ভীষণ হাসি পায়
নির্বোধদের কান্না পায়,
আমি নির্বোধ নই।
বাচ্চাদের মত কেঁদে ভাসানো তোমার স্বভাব।

---তোমার মনে আছে তাহলে?
আচ্ছা জানতে ইচ্ছে হলো,
অন্য কেউ কি মিটিয়েছে আমার অভাব?

---তুমি বহুদিন পর হাসালে আবার
পাগলের মত ভালোবাসি এই কথাটুকু শুনতেই কি ফোন দিলে__
---না মানে কি যে বলো,
আমাকে কি মনে পরে?
শুনলাম ইদানীং ছাঁইপাসে আছো ডুবে

--- খোঁজ খবর রেখেছো তবে!
কী লাভ এসবে?
ফোন রাখো ভালো থেকো
বুকে ব্যথাটা বেড়ে গেলো

--- শোন, শোন কেটে দিও না।
নাম্বার পেয়েছি তোমার এক বন্ধুর কাছে।
পাঁচ বছর ধরে খুঁজে চলেছি।
কত কথা জানো না তুমি!

--- শুনতে চাই না।
লক্ষ্মী বউ হয়েই থেকো
পুরনো কষ্ট জেগে গেলে বাঁচার ইচ্ছে হবে না আর
আফসোস নিয়েই তো কাটিয়ে দিলাম এত কাল
তুমি সুখি হও।

__বুঝেছি তুমি বিরক্ত!
দোয়া করি যা কিছু চাও তাই যেন পাও।
ফোন টা কেটে গেলো!
কথা থেকে গেলো __
কিছুই শুনলো না সে,
লগ্নভ্রষ্টা মেয়েটির বিয়ে ভেঙেছিল!
বিয়ের আসরে নির্লজ্জ ভাবে সে বলেছিলো,
আমার প্রেমিক আছে!

প্রেমিক জানলো প্রতারক প্রেমিকার বিয়ে হয়েছে।
জানলো না সে বিয়ে ভেঙেছে মেয়েটির
শুধু মাত্র প্রেমিক থাকার দায়ে।
গল্পের অর্ধেকটা সে জানলো;

শেষটা নিজের মত করেই সাজিয়ে নিলো।
এভাবেই তলিয়ে যায় না বলা হাজারও কথা
ভুল বুঝে মানুষটাকে করে সারাজীবন ঘৃণা
শুধু শুধু কেটে যায় একটা জীবন বৃথা।

--- কথোপকথন (গল্পের শেষটা যদি শুনতে)
___সুলতানা পারভীন সুমি

 আবেগি মনে রাত কেটে যাওয়া ভোরে

আবেগি মনে রাত কেটে যাওয়া ভোরে



আবেগি মনে রাত কেটে যাওয়া ভোরে,
অথবা দিনাবসানে


কেমন একটা,
তোমার " আবেগি ছোঁয়া"পাই,
সারা হৃদয় জুড়ে।

ক্রমশ গুটিয়ে নিতে থাকি নিজেকে
অসময়ে তোমার হাত থেকে বাঁচতে।

তোমাতে ভয় আমার চিরকালের,
বলতে পার জন্মগত।

সকলে তাই আমাকে বলতো,বলতো বলছি কেন
এখন তো বলে, পাগল, আবেগি এমন কত নামে।

তোমায় নিয়ে আবেগি কবিতা লিখছি
এই খবর টা পেয়ে পূবাল হাওয়া,

যখন বইতে শুরু করে উত্তরের জানালা দিয়ে।
আর যাবার সময় একটু হলেও"আবেগি ছোঁয়া"য়
ছুঁয়ে যেতে আমার হৃদয়ের উষ্ণতাকে।

তোমার "আবেগি ছোঁয়া" পেয়ে আমি উঠি শিউরে
তাই ছুট্টে গিয়ে আগে,
উত্তরের জানালা-দরজা গুলো দিই বন্ধ করে।
হয় তো তুমি কষ্ট পাও মনে
এভাবে আমার কঠিন আচরণে,
তবুও আমি বলি,

তুমি আবেগে অনুভবেএসো,
তোমায় আমি রাখবো বুকে করে
আবেগি কবিতায় জড়িয়ে।
আজ আবেগে আবেগি মনে আবেগি কবিতা
নিই না একটু,
পকেট ভরে কুড়িয়ে।

তুমি কিন্তু আছো তোমার জায়গাতেই।
আবেগি মনে রাত কেটে যাওয়া ভোরে
অথবা দিনাবসানে
কেমন একটা,
তোমার" আবেগি ছোঁয়া"পাই সারা হৃদয় জুড়ে।
" আবেগি ছোঁয়া"
কলমেঃজাহাঙ্গীর ZAlam

আবেগি লেখক।